দেশ

অনলাইন গেমে বা টিকটকে আসক্ত শিশু-কিশোররা

এস এল টি তুহিন, বরিশাল ৭ মে, ২০২১, ১২:৩৮:৩১

  • অনলাইন গেমে বা টিকটকে আসক্ত শিশু-কিশোররা

বরিশাল: অনলাইন ভিত্তিক সকল গেম নিষিদ্ধের দাবি উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গণহারে স্ট্যাটাস দিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে ছাত্র ও তরুন সমাজকে রক্ষায় জরুরিভাবে এ দাবি বাস্তবায়ন করতে সরকারকে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য দাবি করেছেন ফেসবুক ব্যবহারকারী অভিভাবকরা।

ফেসবুকে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা গেম বন্ধ করতে আগ্রহের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তাদের সন্তানরা এখন পড়াশুনা বাদ দিয়ে সর্বদা অনলাইন গেমে আসক্ত হয়ে পরেছে। করোনার মহামারির কারণে চলমান লকডাউনের এ সময়েও সন্তানরা অভিভাবকদের অবাধ্য হয়ে স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ভিত্তিক গেমে ব্যস্ততা দেখাচ্ছে।

অসংখ্য অভিভাবকরা জানিয়েছেন, তাদের সন্তানরা এতোটাই অনলাইন গেমে আসক্ত যে, বাবা-মা ও স্বজনদের সাথে রুঢ় আচারণ করে বসছে।

বরিশাল নগরীর বাসিন্দা হালিমা আক্তার নামে এক অভিভাবক বলেন, তাদের বাসার সামনের রাস্তা ও বাগানে উঠতি বয়সের তরুন-যুবকরা সারিবদ্ধভাবে বসে অনলাইন ভিত্তিক গেমে মত্ত থাকছে। পড়াশুনাতো দুরের কথা, বাসার টুকিটাকি কাজেও তাদের সহযোগিতা পাওয়া যায় না। কেউ কেউ এতোটাই আসক্ত যে অভিভাবকদের সাথে খারাপ আচারনও করছে।

অনুরুপ তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন মামুনুর রশিদ নামে এক অভিভাবক। তিনি অনলাইন ভিত্তিক সকল গেম বন্ধের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। এছাড়া একাধিক ব্যক্তি এই গেমের নেতিবাচক প্রভাবেব কথা তুলে ধরে দ্রুত অনলাইন ভিত্তিক সকল গেম বন্ধ করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন।

বিশেষ অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে বুস্টার বেট নামে একটি ভয়ঙ্কর জুয়ার গেমের ছোবলে পরেছে অধিকাংশ যুবসমাজ। মোবাইল ফোনে একটি বুস্টার বেট নামে সফটওয়্যার ডাউনলোড করে এই গেম খেলে ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে অধিকাংশ যুবসমাজ। রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর জুয়ার নেশায় অনেক যুবক ইতোমধ্যে হয়েছেন সর্বশান্ত।

এছাড়া, সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ব্যাপক জনপ্রিয় টিকটক ভিডিও বা ফ্রী ফেয়ার গেম অ্যাপ। এই সব অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে এক দিকে যুব সমাজ নষ্ট হচ্ছে, অন্য দিকে এই টিকটক অ্যাপ, এসব ভিডিও সমাজে অপসংস্কৃতি ছড়াচ্ছে সহ এই অ্যাপ ব্যবহার করে বরিশালের বাংলা ভাষাকে বেঙ্গ করে ভাষাকে অসম্মান করছে যুবক-যুবতীরা। অল্প বয়সের ছেলে-মেয়েরা টিকটক বা ফ্রী ফেয়ার গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে। সারাদিন মোবাইলের দিকে তাক করেই বসে থাকে। এই অ্যাপ এ বিভিন্ন ঘটনা হল, শুধু বিনোদনের জন্যই যে মানুষ এই ভিডিও অ্যাপ ব্যবহার করছেন, এমন নয়। নানাভাবে এর অপব্যবহার করছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে কোথাও শিশুদের নিয়ে অশ্লীল ভিডিও তৈরি হচ্ছে।

করোনার কারণে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়, দক্ষিণাঞ্চলের স্কুলগামী শিশু-কিশোররা। দিনের বেশিরভাগ সময়ই মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকছে তারা। কেউ কেউ কিছুক্ষণ অনলাইন ক্লাসে থাকলেও বেশিরভাগ সময়ই খেলছে মোবাইলফোনে গেম। এই গেম খেলতে গিয়ে তারা অনলাইনে অভিভাবকদের প্রচুর অর্থও নষ্ট করছে। এতে অভিভাবক, মনোবিজ্ঞানী, চিকিৎসক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও সমাজবিজ্ঞানীরা উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন।

এছাড়া, কয়েকজন শিক্ষার্থীও এই গেইম আসক্তির কথা জানিয়েছে। প্রযুক্তির প্রতি বেশি আসক্ত হওয়ার কারণে যাদের নিয়ে এত টেনশন তারা কী ভাবছে? এই নিয়ে এক শিক্ষার্থীর সাফ জবাব, স্কুল বন্ধ। বাসায় বসে কতক্ষণ টিভি দেখবো, বই পড়বো? সারাদিন কী করবো? তাই গেম খেলি, অনলাইনে বন্ধুদের সাথে কথাও বলি।

বরিশাল নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে বেশ কিছু দিন ধরে ঘুরে দেখা গেছে, আজকাল পাবজি, ফ্রি ফায়ার গেমগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে শিশু-কিশোরদের মধ্যে। শুধু তাই নয় নগরীর বিবি পুকুরের পাড়, ত্রিশ গোডাউন, মুক্তিযোদ্ধাপার্ক অনেক স্থানে এখন শিশুদের পাশাপাশি উর্তি বয়সী যুবকরাও ফ্রি ফায়ার সহ আরো কয়েকটি গেমস খেলা নিয়ে আড্ডায় পরিনত হচ্ছে। একই সাথে স্কুল কলেজের থেকে শুরু করে বরিশালে বিভিন্ন পেশার মানুষ এখন টিকটিকের ভিডিও করে ফ্যামার্স হওয়ার জন্য দিন রাত বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করছে অ্যাপের বা পেইজে শেয়ারের করে লাইক কমেন্ট পাওয়া জন্য ফ্যমাস হওয়া চেষ্টা করছে, কেউ কেউ আবার বাংলা ভাষা বেঙ্গ করা সহ বিভিন্ন অশ্লীল ভিডিও ভাষা ব্যবহার করে শিশুদের মানসিক ঝুঁকিতে ফেলছে।

তবে এ বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের অভিযান চালানো দরকার বলে মনে করছেন বরিশালের সচেতন নাগরিকরা। বরিশাল জিলা স্কুলের ৭র্ম শ্রেণির এক ছাত্র মেহেদী হাসান ঝটপট উত্তরে বলেন, করোনার জন্য স্কুলে যেতে পারছি না। বাইরে খেলতে, ঘুরতে আর কোথাও বেড়াতে যেতে দিচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে মোবাইলফোনে গেম খেলি। আমার ভালোও লাগে। তবে, টাকা দিয়ে কোনো গেম খেলি না।

বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ও দা ডেইলি স্টার এর ষ্টাফ রিপোর্টার সুশান্ত ঘোষ বলেন, মোবাইলফোন গুরুত্বপূর্ণ গ্যাজেট। তবে বেশিরভাগ সময় বাচ্চাই মোবাইলফোন ব্যবহার করছে নেশার মতো। তাদের আচরণগত সমস্যাও দিনদিন প্রকট হচ্ছে। তাই, বাবা-মায়ের উচিত বাচ্চাদের সময় দেয়া, কাউন্সেলিং করা। তাদের সাথে ভালো-খারাপ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা।

তিনি আরো বলেন, অনেকক্ষণ মোবাইলফোনের স্ক্রিনে থাকিয়ে থাকার কারণে ভার্চুয়াল-সম্পর্ক বা বন্ধু তৈরিতে তাদের যতটা মনোযোগ দিচ্ছে শিশুরা, তার সিকিভাগও নেই বাস্তব বন্ধুত্বে। গেমিংয়ে ভয়ানক আসক্ত হয়ে পড়ায় পড়াশোনার সময় চলে যাচ্ছে স্ক্রিনে। বাচ্চাদের সামাজিকীকরণে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তারা বেড়ে উঠছে অসহিষ্ণু হয়ে। না আছে বন্ধু, না হচ্ছে পরিবারের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। একঘরে হয়ে পড়ছে তারা।

এ বিষয়ে বরিশাল রিপোর্টার ইউনিটির সাধারন সম্পাদক মিথুন সাহা নিউজজিকে বলেন, করোনা আমাদের জীবনটাকেই পাল্টে দিয়েছে। এক সময় আমরা মোবাইলফোন, ডিভাইস, নেট থেকে শিশুদের দূরে রাখতে পারলেও এখন তাদের শিক্ষার স্বার্থেই ইন্টারনেট সংযোগসহ মোবাইলফোন, ট্যাব তুলে দিয়েছি। এই সুযোগে তারা আসক্ত হয়ে পড়েছে। বাস্তবতার কারণে তাদের হাত থেকে ডিভাইসগুলো কেড়ে নিতে পারবো না। তাই মানসিকভাবে ওদের সঙ্গ দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, তারা কোনো রিস্কি গেমের সাথে জড়িয়ে পড়ে কি না। পাশাপাশি, বাবা-মায়েদেরও সন্তানের ভালো শেয়ারিং-কেয়ারিং বন্ধু হতে হবে।

বরিশালের এক সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক তিনি বলেন, আমার সন্তান ভয়ানকভাবে গেমে আসক্ত। অনেক রাত পর্যন্ত ডিভাইসে গেম খেলে। সম্প্রতি অনেক রাতে সে গেমে থাকায় রেগে ঘুমাতে যেতে বলি। তখন সে বারান্দা থেকে লাফিয়ে পড়ার হুমকি দেয়। নিজের ছেলের এমন আচরণে তিনি ভীষণ ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।

ছেলে-মেয়েদের ভয়ঙ্কর এই গেম খেলা নিয়ে তিনি বলেন, আমার নিজের ছেলেসহ অনেকে এই রকম গেমের নিমগ্ন থাকে। ওরা যখন এই জগতে থাকে, সেখানে ভার্চুয়ালি একটা অ্যাকাউন্ট করে অনেক অস্ত্র এবং যুদ্ধের পোশাক কেনে। এসব গেমেরে মধ্যেই সেটাপ করা থাকে। ছোট ছেলে-মেয়েরা কেবল নয় বড়রাও এসব গেম খেলে। এটা এমন মারাত্মক নেশা। যে একবার ঢোকে, সে আর বের হতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করতে সরকারিভাবে এসব গেমের অ্যাপ ও গেটওয়ে সব বন্ধ করে দিতে হবে।

বরিশালের এক নারী উদ্যোক্তা সানজিদা খান বলেন, করোনায় বাচ্চারা স্কুলে বা বাইরে যেতে পারছে না বলে গেমসে বেশি আসক্ত হয়ে গেছে। বেশি গেমসপ্রীতি থেকে তাদের ফেরাতে আনন্দদায়ক পড়াশোনার উপায় বের করতে হবে। তাহলে তারা গেমস, কার্টুনে সময় কমাবে, পড়াশোনায় মন দেবে। দ্রুত স্কুল খুললে এই আসক্তি কমবে বলেও মনে করেন তিনি।

শেবাচিম হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এম.আর তালুকাদার মুজিব নিউজজিকে বলেন, বাচ্চাদের জন্য মোবাইল বা অনলাইন অনেক চটকদার দুনিয়া। ওটা থেকে বের হয়ে নরমাল লাইফ আর ভালো লাগে না। এছাড়া, গেম অনেক ফাস্ট। নরমাল লাইফ অনেক শ্লো। ফলে ওরা অ্যাডজাস্ট করতে পারে না। বেশি ডিভাইস ব্যবহারে অনেকের ক্রিয়েটিভিটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

বার্তা ২৪ এর বরিশাল ষ্টাফ রিপোর্টার জহির রায়হান বেশ উৎকণ্ঠা নিয়ে বলেন, পাবজির ও ফ্রী ফেয়ার মতো কিছু গেম আছে, যার একটা লেভেল পর্যন্ত ফ্রি খেলা যায়। সে গেম এমন পর্যায়ে এসে শেষ হয়। পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য ক্রেডিট নিয়ে খেলতে হয়। ছেলে-মেয়েরা অনলাইনে ক্যাশ বা বাবা-মায়ের ক্রেডিট কার্ডের নম্বর দিয়ে প্রয়োজনীয় পয়েন্ট কিনে নেয়। পয়েন্ট কিনে তারা গেমের বড় বড় ধাপ পার হয়। কিছু গেম খেলতে গেলে তাদের চ্যালেঞ্জ দেয়া হয়। গেমের মাধ্যমে সে ধাপগুলো সে পার হয়। এটা ভয়ানক এক ধরনের নেশা। আর এই নেশাকে কেন্দ্র করে বিরাট একটা চক্র কাজ করছে।

বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, ছেলে-মেয়েদের বেশিরভাগ সময় মোবাইলফোনে গেম নিয়ে থাকার জন্য তাদের বাবা-মায়ের সাথে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে ডাকলেও তারা বিরক্তবোধ করে। করোনার সময় তাদের পড়াশোনা, কোচিং সব অনলাইনেই সারতে হচ্ছে বলে বাবা-মাকেও খেয়াল রাখতে হবে, বাচ্চারা পড়াশোনার বিষয়ে অনলাইন থাকছে না গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে। বকাঝকা করে নয়, তাদের সাথে বন্ধুর মতো মিশে বোঝাতে হবে। সন্তানদের বিভিন্ন সামাজিক কাজ, খেলাধুলা বা বই পড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

বরিশালে এক বিজ্ঞান মেলার সেমিনারে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বিএমপি মো. শাহাবুদ্দিন খান, বিপিএম-বার বলেন, তরুণ প্রজন্মকে সাইবার স্পেসের অপব্যবহার থেকে ফিরিয়ে এনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চায় আগ্রহী করতে এ ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজনের পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষকদের আরো বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান চর্চা ও বিজ্ঞানের বিষয়গুলোকে দেশের আনাচে-কানাচে, সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার জন্য, বিজ্ঞানের বিষয়ে তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ সৃষ্টির জন্য, চিন্তাশক্তির উন্মেষ ঘটিয়ে নিত্যনতুন ইনোভেশনের জন্য এ ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময় তিনি প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বিভিন্ন ধরণের সাইবার ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে শিশু-কিশোররা সাইবার অপরাধ সহ নানান ধরণের অপরাধ সংগঠিত করে থাকে। এসময় তিনি শিশু-কিশোরদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক বরিশাল মহানগরীর প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মাধ্যমে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময়ের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে শিশু-কিশোরদের শিক্ষা-সংস্কৃতি, খেলাধুলা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদের আরো বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহবান জানান।

সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা নিউজজিকে বলেন, তরুন ও যুব সমাজের মেধার সুষ্ঠ বিকাশের লক্ষ্যে এবং তাদের পড়াশুনায় মনযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে এসব অনলাইন ভিত্তিক গেম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এমনকি সন্তানদের বিপদগামীও করেছে। যার বাস্তব প্রমান রয়েছে সম্প্রতি সময়ের অনলাইন ভিত্তিক ব্লু হোয়েল গেম। তাই দ্রুত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারের আইসিটি মন্ত্রণালয় উদ্যোগ গ্রহণ করে বাংলাদেশে অনলাইন ভিত্তিক গেম বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আমি শতভাগ বিশ্বাস করছি।

বরিশাল জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে অনেক আমরা খুব শিগগিরই এই বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতে মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করাবো।

 

নিউজজি/এসএম

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers