ফিচার

এ’দিন অনুমোদিত হয় ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’ ঘোষণার প্রস্তাব

নিউজজি প্রতিবেদক মার্চ ৯, ২০২১, ১১:৪৬:১৪

  • ছবি : সংগ্রহ

ঢাকা : স্বাধীনতার সংগ্রাম, একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে অবিচ্ছেদ্য নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নিজের বিরল ত্যাগী ও সৎ রাজনীতি দিয়ে হয়েছিলেন দেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। এবছর স্বাধীনতার মাস মার্চ ফিরেছে বিশেষ উপলক্ষ্য নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এই মাসে। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে চলমান হরতালের কারণে উচ্চ আদালতের কোন বিচারপতি নবনিযুক্ত গভর্নর জেনারেল টিক্কা খানকে শপথ পড়াতে রাজি হননি। ফলে একাত্তরের ৯ই মার্চ মার্শাল ল’ এডমিনিস্ট্রেটর সংশ্লিষ্ট সামরিক বিধি পরিবর্তন করে টিক্কা খানকে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় অংশের সামরিক শাসক পদে নিয়োগ দেন ইয়াহিয়া খান। যদিও তা ৭ই মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে ঘোষণা দেয়া হয়। 

এদিন আন্দোলনের পরবর্তি পরিকল্পনা নিয়ে টেলিফোনে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আলোচনা করেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি- ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। সেদিন বিকেলে পল্টনের এক জনসভায় অংশ নিয়ে মওলানা ভাসানী ঘোষণা দেন, ২৫শে মার্চের পর শেখ মুজিবের সাথে সমন্বিতভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাবার। 

৯ই মার্চ দুপুরে, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের জরুরি সভায় ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এই সভায় আরেকটি প্রস্তাবে বঙ্গবন্ধুকে ‘বাংলাদেশ জাতীয় সরকার’ গঠনের অনুরোধ জানানো হয়। 

চলমান আন্দোলন প্রতিহত করতে একাত্তরের ৯ই মার্চ রাজশাহীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করে পাকিস্তানের সামরিক শাসক। পূর্ব পাকিস্তান থেকে বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নিতে নিজ নিজ দেশ থেকে পাঠানো বিমান ঢাকায় অবতরণ করে। প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থিত জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন জাতিসংঘের মহাসচিব উ থন্ট।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers