ফিচার
  >
ভ্রমণ

সেনা অভ্যুত্থানে হুমকির মুখে মিয়ানমারের পর্যটন খাত

নিউজজি ডেস্ক ৫ ফেব্রুয়ারি , ২০২১, ১৩:৩১:৫৯

  • ছবি : ইন্টারনেট থেকে

ঢাকা: সেনা অভ্যুত্থানে মিয়ানমারে আবারো দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। এ অবস্থায় দেশটির পর্যটন খাতে অভ্যুত্থানের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাত দক্ষিন এশিয়ার দেশ মিয়ানমার। দেশটির একদিকে যেমন রয়েছে দিগন্তজোড়া বিস্তীর্ণ সমুদ্র সৈকত, অন্যদিকে আছে ঘন জঙ্গল আর সুউচ্চ পাহাড়রাশি। 

বৌদ্ধপ্রধান দেশটি সারা বিশ্বে প্রাচীন সব প্যাগোডার জন্যও বিখ্যাত। পাশাপাশি দেশটিতে রয়েছে চোখজুড়ানো সব হ্রদ। আর মিয়ানমারের রেইনফরেস্টকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মৃদ্ধ বনের একটি। এসবের টানেই ভ্রমণপিপাসুদের শীর্ষস্থানীয় গন্তব্যের তালিকায় মিয়ানমারের নাম উঠে আসেই।

তবে স্বাধীনতার তিয়াত্তর বছরেও দেশটি সামরিক শৃঙ্খলমুক্ত হতে পারেনি। স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা জেনারেল অং সান এর কন্যা সু চির হাত ধরে মাত্র কয়েক বছরের জন্য গণতন্ত্র আসলেও, তা স্থায়ী হয়নি। গেল সোমবার নির্বাচনে কারচুপি ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে আবারো ক্ষমতা কুক্ষিগত করে সামরিক জান্তা। 

দশকের পর দশক স্থায়ী সামরিক শাসনের প্রভাব পড়েছে মিয়ানমারের পর্যটন শিল্পেও। আকর্ষণীয় সব গন্তব্যের জন্য খ্যাতি থাকলেও, সামরিক সরকারের নানা বিধিনিষেধের কারণে প্রত্যাশিত পর্যায়ে পর্যটক আসে ন। 

এরমধ্যে গেল বছরের শুরু থেকেই অন্যান্য দেশের মত করোনার থাবায় থমকে যায় পর্যটন ব্যবসা। দেশটির পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংগঠনের মতে, মহামারিকালে এই খাত সংশ্লিষ্ট মোট ৮ লাখ কর্মীর মধ্যে চাকরিচ্যুত হয়েছেন সাড়ে ৫ লাখেরও বেশি। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনায় ২০১৯ সালে মিয়ানমারে পর্যটকের আগমন কমে গেছে ৭৫ শতাংশ।

গেল ডিসেম্বরে করোনার বিধিনিষেধ কিছুটা কমলেও, পর্যটন খাতকে তা খুব একটা চাঙ্গা করতে পারেনি। এ অবস্থায় সম্প্রতি সেনা অভ্যুত্থানের কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতি পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কতোটা সহায়ক হবে, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers