অন্যান্য
  >
বিশ্বকাপ

দ্বি-পাক্ষিক সফরসূচীতে ৪৪ টি ম্যাচ বরাদ্দ

শামীম চৌধুরী, লন্ডন থেকে ১৮ জুলাই , ২০১৯, ০৫:৪৯:০১

  • দ্বি-পাক্ষিক সফরসূচীতে ৪৪ টি ম্যাচ বরাদ্দ

বিশ্বকাপের আর একটি আসর শেষ হয়েছে। পরবর্তী বিশ্বকাপের জন্য এখন থেকেই সেরা দল পূর্নগঠনে মাঠে নেমেছে স্ব স্ব দেশের বোর্ড। বিশ্বকাপের পরবর্তী আসরে মাশরাফির সার্ভিস পাবে না বাংলাদেশ। 

তবে সাকিব,তামিম,মুশফিক,মাহামুদউল্লাহ এবং উঠতি ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে সেরা দল খুঁজে পাবে বাংলাদেশ এমন স্বপ্নই দেখছেন তিনি। ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ফেভারিট মর্যাদা নিয়ে খেলবে-এমনটাই প্রত্যাশা করছেন মাশরাফি।

২০২৩ বিশ্বকাপেও একই ফরমেট থাকছে বহাল। তবে অংশগ্রহনে যোগ্যতার ক্ষেত্রে নীতিমালায় আসছে কিছুটা পরিবর্তন।  ১০ দেশের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠেয় এই আসরে স্বাগতিক ভারত সরাসরি অংশগ্রহনে নিশ্চয়তা পেয়েছে শুধু। অবশিস্ট ৯ দলের মধ্যে ২০২০-২০২৩ সালে অনুষ্ঠেয় আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ সুপার লিগ টূর্নামেন্টে শীর্ষ ৭ দল পাবে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহনের সুযোগ।

আইসিসি'র ওয়ানডে মর্যাদার অবশিষ্ঠ ৫টি দলের সঙ্গে সহযোগী ৫ সদস্যের মধ্য থেকে ২টি দল বাছাইপর্বের বাধা পেরিয়ে পাবে বিশ্বকাপের টিকিট।সে কারনেই বাংলাদেশ দলের সামনে এখন বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহনের চ্যালেঞ্জটা নিতে হচ্ছে।

তবে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ প্রবর্তন করায় নতুন ফিউচার ট্যুর প্রোগামে ( এফটিপি) কমে গেছে ওয়ানডে ক্রিকেট ম্যাচ।সর্বশেষ ৪টি বিশ্বকাপের প্রতিটিকে সামনে রেখে যে পরিমান ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ দল, আগামী বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সে সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল।

২০০৩ বিশ্বকাপে যাচ্ছে-তাই ফলাফলের পর ২০০৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দল খেলেছে ৮১ ম্যাচ। ২০০৭ বিশ্বকাপ পরবর্তী আসরে (২০১১ বিশ্বকাপ) বাংলাদেশ দল  খেলেছে ৮৫টি ওয়ানডে ম্যাচ। ২০১৫ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সেখানে বাংলাদেশ দল খেলেছে ৫৫টি ওয়ানডে ম্যাচ।

এবং সর্বশেষ বিশ্বকাপকে সামনে রখে বাংলাদেশ খেলেছে ৬২টি ওয়ানডে ম্যাচ। অথচ, ২০২৩ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দ্বি-পাক্ষিক সফরসূচীতে বাংলাদেশ ওয়ানডে ম্যাচ পাচ্ছে৪৪টি ! আগামী ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে পূর্ব নির্ধারিত এশিয়া কাপ বাদ দিয়ে ৪৪ টি ম্যাচ আপাতত: বরাদ্দ রয়েছে বাংলাদেশের জন্য। আইসিসি'র ইতোপূর্বের প্রতিটি এফটিপিতেই বাংলাদেশ পেয়েছে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে টূর্নামেন্ট।

অথচ বর্তমানের এফটিপিতে  নেই একটিও ত্রিদেশীয় ওয়ানডে টূর্নামেন্ট। নেই এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটিও ওয়ানডে ম্যাচ। আইসিসি ওয়ার্ল্ড সুপার লিগে বাংলাদেশকে খেলতে হবে নীচের সারির দল আয়ারল্যান্ড,আফগানিস্তানের সঙ্গে।

বছরওয়ারী হিসেবে ২০২২ সালে বাংলাদেশ দল খেলবে সর্বোচ্চ ১৮টি ওয়ানডে ম্যাচ। তবে টি-২০ বিশ্বকাপের বছরে (২০২০) বাংলাদেশ দল সংক্ষিপ্ত ভার্সনের ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিয়ে ওয়ানডে ফরমেটের ম্যাচ তুলনামুলক কম খেলবে। ২০২০ সালে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ মাত্র ৮টি ওয়ানডে ম্যাচ। ২০২৩  বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আসলেই কি পর্যাপ্ত ওয়ানডে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ দল ? এটাই যে ভেবে দেখতে হবে বিসিবিকে। 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers