খেলা

আশরাফুল-সৈকত আলীর ব্যাটিংয়ে ম্লান ইমনের বোলিং

স্পোর্টস রিপোর্টার জুন ১৬, ২০২১, ১৪:৫৯:০০

  • ম্যাচ সেরা আনিসুল ইসলাম ইমন।-ফাইল ফটো

শেখ জামাল ধানমন্ডী ক্লাব : ১২০/৮ (১৩.০ ওভারে)

ডিওএইচএস : ১০৪/৭(১৩.০ ওভারে)

ফল : শেখ জামাল ধানমন্ডী ক্লাব ১৬ রানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : আনিসুল ইসলাম ইমন (শেখ জামাল ধানমন্ডী)।

পরিচয়টা আনিসুল ইসলাম ইমনের মার মার কাট কাট ব্যাটসম্যান। সংক্ষিপ্ত ওভারের ম্যাচে দারুণ মানানসই এই ব্যাটসম্যান বুধবার আবির্ভুত হয়েছেন বোলার হিসেবে।

টোয়েন্টি-২০ ক্যারিয়ারে ইতোপূর্বে ২০ ম্যাচে ৭ ইনিংসে সর্বসাকূল্যে  বোলিং করেছেন ১২.৪ ওভার,শিকার ছিল তার ৫টি উইকেট।

ডিওএইচএস-এর সেই মিডিয়াম পেস বোলার ইমন বুধবার শেখ জামাল ধানমন্ডীর বিপক্ষে পেয়েছেন ৫ উইকেট (২-০-২৩-৫)।তবে তার এই বোলিং ম্লান হয়েছে।তার বোলিংয়ে শেখ জামাল ধানমন্ডীকে ১৩ ওভারের ম্যাচে ১২০/৮ স্কোরে আটকে ফেলেও জিততে পারেনি ডিওএইচএস।

শেখ জামাল ধানমন্ডীর তিন পেসার জিয়া (২/২৮),এবাদত (২/২৩),সালাউদ্দিন শাকিল (২/২০)-এর বোলিংয়ে ১৬ রানে হেরে গেছে ডিওএইচএস।

লিগে আশরাফুল শুরুটা করেছিলেন ভালই। প্রথম দুই ম্যাচে ৩৬ এবং ৪১ রানে সমর্থকদের দিয়েছিলেন দারুণ বার্তা। ওপেনার সৈকত আলীর সাথে দারুণ বোঝাপড়াও তৈরি হয়েছিল।

তবে পরের ৪ ম্যাচে প্রত্যাশিত পারফর্ম করতে না পারায় সর্বশেষ ৩ ম্যাচে একাদশে  পাননি জায়গা। ১০ম রাউন্ডে এসে ম্যাচে ফিরেই পারফর্ম করেছেন (২২ বলে ২ চার,৩ ছক্কায় ২৬)। পার্টনার সৈকত আলী সেখানে করেছেন ২৩ বলে ৩৭ রান।

এই পার্টনারশিপের ৪৪ বলে ৬৯ রানের কল্যানেই স্কোর টেনে নিতে পেরেছে শেখ জামাল ১২০/৮ পর্যন্ত। এই দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়েছেন ইমন ৮ম ওভারে। ১১তম ওভারে ফিরিয়েছেন ইমরুল কায়েস,এনামুল ও তানভীরকে।

এই ম্যাচ জিতে ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে সুপার লিগের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখলো শেখ জামাল। অন্যদিকে ১০ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রেলিগেশন লিগে খেলার শংকা এখন ডিওএইচএস-এর।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers