খেলা

'আরেকটা উইকেট পড়লে অন্যরকম হতে পারতো '

শামীম চৌধুরী, চট্টগ্রাম থেকে মে ১৯, ২০২২, ১৮:১১:২১

  • ড্র-এর পর হাসিমুখে দু'দল। ছবি-বিসিবি



শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৩ টেস্টে ১ জয়ের বিপরীতে হেরেছে বাংলাদেশ ১৭টিতে। ড্র করেছে ৫টি। এই ৫টি ড্র'র মধ্যে ৩টিই জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। তিনটিই আবার সর্বশেষ। ২১৪, ২০১৮'র পর এবার (২০২২)।

২০১৪ এবং ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে রানের সমস্টি ছিল ১৫৮৯ ও ১৫৩৩। এবার সেখানে দু'দলের প্রথম ইনিংসে সময়ের যোগফল ছিল ১৪৬৮ মিনিট! প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে কাটিয়েছে ৭৯৩ মিনিট, যা সময়ের হিসেবে এক ইনিংসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ।

চট্টগ্রাম টেস্টে উইকেটে বোলারদের করণীয় কিছুই থাকবে না, তা জানা ছিল মুমিনুলেরও। স্পিনাররা তাই তৃতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা ব্যাটারদের চাপে ফেলতে পারেননি বলে মনে করছেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল-' চট্টগ্রামের উইকেট সবসময় এমনই থাকে। আগেতো কখনো আমরা স্পিনে এই উইকেটে কোনো সাহায্য পাইনি। এবার তো তাও কিছুটা পেয়েছি যদি পাঁচদিন খেলা খেলা দেখে থাকেন, ওদের ব্যাটিংও দেখেন আমাদের ব্যাটিংয়েও দেখেন এই উইকেটে আপনি টিকে থাকতে পারবেন। কিন্তু যদি আপনি বেশি এক্সাইটেড হয়ে যান তাহলে উইকেট পড়ার সুযোগ বেশি থাকবে। যেটা আমার কাছে মনে হয়।'
চতুর্থ দিনের পড়ন্ড বেলায় শ্রীলঙ্কার ২ উইকেট ফেলে দেয়ার (৩৯/২) পর ৫ম দিনে লাঞ্চের আগে-পরে ৪ উইকেট ফেলে দিয়ে শ্রীলঙ্কার উপর একটা চাচ তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশের দুই স্পিনার তাইজুল-সাকিব। তবে সেই চাপটা ধরে রাখতে পারেনি।

অবিচ্ছিন্ন ৭ম উইকেট জুটি ১৪৫ মিনিটে ৯৯ রানে ম্যাচ বাঁচিয়েছে শ্রীলঙ্কা। তা মনে করছেন মুমিনুলও-'আমার কাছে মনে হয় মাঝখানে ৬ টা উইকেট পড়ার পর যদি আরেকটা উইকেট বের করতে পারতাম তাহলে ফলটা অন্যরকম হতে পারতো।'

প্রথম ইনিংসে ৬৮ রানের লিড নিয়ে জিততে পারেনি বাংলাদেশ দল। লিডটা আরো বড় নিতে পারলেও ম্যাচের চেহারাটা অন্যরকম হতো বলে মনে করছেন মুমিনুল-'লিটন আউট না হলে হয়তো আমরা ওই সুযোগটা নিতে পারতাম। যেটা সুযোগটা নিতে গিয়ে ওই সময়ে ২-৩ উইকেট পড়ে যায়। তামিম, সাকিব ভাই আউট হলো। লিটনও আউট হলো। লিটন যদি এক ঘণ্টা মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে খেলতে পারত তাহলে হয়তো অন্যরকম হতে পারত।'

ব্যাটিং বান্ধব পিচে স্পিনারদের পারফরমেন্সে সন্তুষ্ট হলেও পেসারদের পারফরমেন্সে সন্তুষ্ট নন মুমিনুল-'আমার কাছে মনে হয় পেস বোলাররা আরেকটু ভালো বল করতে পারত। যেহেতু পেস বোলারদের প্রতি সবার প্রত্যাশা একটু বেড়েছে। আমার কাছে মনে হয় প্রথম ইনিংসে আরেকটু ভালো বল করতে পারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও শরিফুল ছিল না। খালেদ আরেকটু লেন্থে বল করতে পারলে আরেকটু খুশি হতে পারতাম। তাহলে ভালো হতো। স্পিনার এই উইকেটে উইকেট পাওয়া কঠিন। পেস বোলারদেরও তাই।'
টেস্টে ফিরে সাকিবের বোলিংকে হাততালি দিচ্ছে হচ্ছে বলে মনে করছেন মুমিনুল-'আমার কাছে মনে হয়, স্পিনারদের ভেতরে নাঈম, সাকিব ভাই…তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।প্রথম ইনিংসে ওদের রান বাড়ছিল। ওই সময়ে সাকিব ভাই ও তাইজুল এসে ওটা হোল্ড করছে। আমি মনে করি প্রথম ইনিংসে সাকিব ভািইয়ের কাজ খুব ভালো ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসও। ভালো বল করেছে এই ট্র্যাকে।'


 
 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ