বিদেশ

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে ১ম বারের মতো বাংলাদেশ

নিউজজি ডেস্ক ২৬ জানুয়ারি , ২০২১, ১৭:০৮:৩১

  • সংগৃহীত

ঢাকা: ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছে দলটি। মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে দিল্লির রাজপথে শুরু হয় এ কুচকাওয়াজ।

বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ৫০ বছরে এবারের কুচকাওয়াজে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত দলটির ১২২ জন। ভারত সরকারের আমন্ত্রণে যোগ দেয়া এ দলটিতে আছেন ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে গর্বিত বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও আর্টিলারি রেজিমেন্টের সদস্যরা। এর আগে ২০১৬ সালে ফ্রান্স এবং ২০১৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্মানজনক এ কুচকাওয়াজে অংশ নেয় বাংলাদেশ।

মুজিববর্ষ, স্বাধীনতা ও বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতে এই অংশগ্রহণ ছিল দলটির। চলতি মাসের ১২ জানুয়ারি দলটি ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ওই সময়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর (মার্চিং ব্যান্ডসহ) সমন্বয়ে সশস্ত্র বাহিনীর এই সমন্বিত কন্টিনজেন্ট গঠিত হয়।

ভারতের ৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবস আজ। ১৯৫০ সালে আজকের এই দিনেই সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। তারপর থেকে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ধুমধাম করে পালিত হয় প্রজাতন্ত্র দিবস। এবারো এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে করোনাভাইরাসের কারণে সব অনুষ্ঠানেই কিছুটা কাটছাঁট আনা হয়। দিল্লিতে ছোট করা হয় কুচকাওয়াজের দৈর্ঘ্যপথ। অন্যবারের মতো এবারো বিজয় চক থেকে শুরু হয় কুচকাওয়াজ। তবে লালকেল্লার পরিবর্তে কুচকাওয়াজ শেষ হয় ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে।

এবারে প্রজাতন্ত্র দিবসে অংশগ্রহণকারী জওয়ানের সংখ্যাও কমানো হয়। করোনা সুরক্ষা বিধির জন্য কমেছে দর্শক সংখ্যাও। এবার দর্শক সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। ১৫ বছরের নীচে শিশু এবং প্রবীণ লোকজনকে অনুষ্ঠানে হাজির থাকার অনুমতি দেয়া হয়নি। প্রথমবার প্রজাতন্ত্র দিবসে রাফায়েল যুদ্ধবিমানের মহড়া দেখা গেছে। একটি রাফায়েল, দুটি জাগুয়ার এবং দুটি মিগ-২৯ বিমান ছিল। ৩শ মিটার উচ্চতায় এবং ঘণ্টায় ৭৮০ কিলোমিটার বেগে মহড়া চলে।

এবার সিলকা সমরাস্ত্র সিস্টেমের নেতৃত্ব দিয়েছেন ১৪০ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্টের (সেলফ প্রপেলড) ক্যাপ্টেন প্রীতি চৌধুরী। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একমাত্র নারী কমান্ডার তিনি।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তিন বাহিনীর প্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নিউজজি/আইএইচ

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers